রাজশাহী কলেজ উত্তরাঞ্চলের শিক্ষা ও সংস্কৃতির ধারক-বাহক বলে মন্তব্য করেছেন ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনু।
শুক্রবার (২১ আগস্ট) হেয়ার রোডে অনুষ্ঠিত ঐতিহ্যবাহী রাজশাহী কলেজের ১৫০তম বর্ষপূর্তি উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত প্রস্তুতি সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, ১৫০ বছর উদযাপন এবং প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের এই পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান বর্তমান ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি করবে। এই আয়োজন হবে ঐক্য, ঐতিহ্য ও আত্মপরিচয়ের উৎসব।
দীর্ঘ ১৫০ বছরের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস ও ঐতিহ্যের মধ্য দিয়ে এ প্রতিষ্ঠান বহু প্রখ্যাত ব্যক্তিত্ব তৈরি করেছে উল্লেখ করে তিনি দেশ-বিদেশে থাকা সব প্রাক্তন শিক্ষার্থীকে নিবন্ধনের মাধ্যমে এতে যুক্ত হওয়ার আহ্বান জানান। প্রয়োজনে মহাদেশভিত্তিক অ্যালামনাইদের নিয়ে কমিটি করে এই ঐতিহাসিক মিলনমেলাকে স্মরণীয় করে রাখতে হবে বলেও তিনি জানান।
তিনি বলেন, কলেজের দেড়শত বর্ষ উদযাপনকে আগামী প্রজন্মের কাছে স্মরণীয় করে রাখতে স্মারক ভাস্কর্য তৈরি করা হবে। এই প্রতিষ্ঠানের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস শুধু বাংলাদেশের নয়, আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও সমানভাবে সমাদৃত। তাই দেড়শত বর্ষ উদযাপন হবে রাজশাহী কলেজ পরিবারের সব প্রজন্মের এক মহামিলনের উৎসব।
ভূমিমন্ত্রী বলেন, সরকারের সহযোগিতায় রাজশাহী কলেজে আধুনিক বহুতল একাডেমিক ভবন, অত্যাধুনিক অডিটোরিয়াম, ছাত্র ও ছাত্রীদের জন্য নতুন আবাসন এবং ঐতিহাসিক খেলার মাঠের উন্নয়নসহ বিভিন্ন অবকাঠামোগত প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
রাজশাহী কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. ইব্রাহিম আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী-৩ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শফিকুল হক মিলন, দুদক সচিব মো. সাইদুর রহমান খান, রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মো. আবুল কালাম আজাদ সুইট এবং সাবেক স্বরাষ্ট্র সচিব এস. এম. জহুরুল ইসলাম।
অন্যান্যদের মধ্যে বর্তমান ও সাবেক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ, কলেজের অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য, শিক্ষক, সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থী, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সুধীজন এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
শুক্রবার (২১ আগস্ট) হেয়ার রোডে অনুষ্ঠিত ঐতিহ্যবাহী রাজশাহী কলেজের ১৫০তম বর্ষপূর্তি উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত প্রস্তুতি সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, ১৫০ বছর উদযাপন এবং প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের এই পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান বর্তমান ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি করবে। এই আয়োজন হবে ঐক্য, ঐতিহ্য ও আত্মপরিচয়ের উৎসব।
দীর্ঘ ১৫০ বছরের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস ও ঐতিহ্যের মধ্য দিয়ে এ প্রতিষ্ঠান বহু প্রখ্যাত ব্যক্তিত্ব তৈরি করেছে উল্লেখ করে তিনি দেশ-বিদেশে থাকা সব প্রাক্তন শিক্ষার্থীকে নিবন্ধনের মাধ্যমে এতে যুক্ত হওয়ার আহ্বান জানান। প্রয়োজনে মহাদেশভিত্তিক অ্যালামনাইদের নিয়ে কমিটি করে এই ঐতিহাসিক মিলনমেলাকে স্মরণীয় করে রাখতে হবে বলেও তিনি জানান।
তিনি বলেন, কলেজের দেড়শত বর্ষ উদযাপনকে আগামী প্রজন্মের কাছে স্মরণীয় করে রাখতে স্মারক ভাস্কর্য তৈরি করা হবে। এই প্রতিষ্ঠানের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস শুধু বাংলাদেশের নয়, আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও সমানভাবে সমাদৃত। তাই দেড়শত বর্ষ উদযাপন হবে রাজশাহী কলেজ পরিবারের সব প্রজন্মের এক মহামিলনের উৎসব।
ভূমিমন্ত্রী বলেন, সরকারের সহযোগিতায় রাজশাহী কলেজে আধুনিক বহুতল একাডেমিক ভবন, অত্যাধুনিক অডিটোরিয়াম, ছাত্র ও ছাত্রীদের জন্য নতুন আবাসন এবং ঐতিহাসিক খেলার মাঠের উন্নয়নসহ বিভিন্ন অবকাঠামোগত প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
রাজশাহী কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. ইব্রাহিম আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী-৩ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শফিকুল হক মিলন, দুদক সচিব মো. সাইদুর রহমান খান, রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মো. আবুল কালাম আজাদ সুইট এবং সাবেক স্বরাষ্ট্র সচিব এস. এম. জহুরুল ইসলাম।
অন্যান্যদের মধ্যে বর্তমান ও সাবেক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ, কলেজের অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য, শিক্ষক, সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থী, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সুধীজন এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
মোঃ মাসুদ রানা রাব্বানী :